মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ০৭ নম্বর বিপদ সংকেতের পরিবর্তে ০৩ স্থানীয়...

মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ০৭ নম্বর বিপদ সংকেতের পরিবর্তে ০৩ স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর

0 72

ফরিদপুর-ঢাকা অঞ্চল এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় “ফণি” আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে স্থল গভীর নিম্নচাপ আকারে আজ (০৪ মে, ২০১৯) দুপুর ১২ টায় পাবনা-টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ অঞ্চল এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। গভীর নিম্নচাপটির প্রভাবে বাংলাদেশের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে এবং দেশের অনেক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে।
গভীর নিম্নচাপটির প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘন্টায় ৫০-৬০ কিঃ মিঃ বেগে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে ঘন্টায় ৪০-৫০ কিঃ মিঃ বেগে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ০৭ (সাত) নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে তিন নম্বর (পুনঃ)
তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ০৬ (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে তিন নম্বর (পুনঃ) তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। কক্সবাজার সমূদ্র বন্দরকে ০৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারী সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে তিন নম্বর (পুনঃ) তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। অমাবস্যা ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের কারণে উপকূলীয় জেলা ট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, হাতিয়া, সন্দ্বীপ, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ২-৪ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
(সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর)

এদিকে ভোলার চরফ্যাসন, ঢালচর, চর কুকরি মুকরি, মনপুরায় হালকা মেঘ বিরাজ করছে বলে জানা যায়। চরফ্যাসন সিসিপি পরিচালক মোঃ মোকাম্মেল হক বলেন, ঢালচরের অবস্থা এখন স্বাভাবিক, জোয়ারের পানি নেমে গেছে প্রায়। তবে গতকালের পরিস্থিতিতে প্রায় ২১ হাজার মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়েছিলো। এরপর আজ ক্ষতিগ্রস্থদের প্রায় ১২ হাজার মানুষকে ত্রাণের আওতায় আনা হয়েছে এবং এ কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে বলে জানান উপজেলা প্রশাসন এবং সিপিপি কর্মকর্তা।
দূর্যোগ কালীল গতকাল (৩ মে) বিকেল ৫টা থেকে সারারাত নিরিবিচ্ছিন্নভাবে সম্প্রচার কর্যক্রম অব্যাহত রেখেছিলো রেডিও মেঘনা।