COAST Quoted in Media

Rezaul Karim Chowdhury, head of COAST Trust, a non-profit body working for the Rohingyas, said there was a grave danger of radicalisation if the Rohingyas were not provided with education and income-generating activities. Vested groups could take advantage of their frustration and idle days in the camps, he added.

He said the religiously-conservative Rohingyas should be given education, skills and income-generating opportunity. The authorities need to work on promoting cultural and human values among them, he added.

Kalam said authorities and aid agencies were trying to ensure informal education and skills like sewing and homestead gardening for the refugees. This can reduce their dependence on aid to some extent.

The government and aid agencies are mobilising Rohingya men and women and promoting human and cultural values to address the risks of radicalisation, he noted.

Meanwhile, Chowdhury of COAST said locals felt deprived of their own rights due to the influx.

Rohingyas provide cheap labour in farms around the refugee camps, which is a matter of concern for the local workers, he added.

Locals have been affected by the destruction of forest, which was a big source of income for them, he said.

Chowdhury said food and other supplies required for the Rohingya are brought from other districts; the government can take initiatives to produce the supplies in Cox’s Bazar to help the local economy.

Foreign countries can also invest in Cox’s Bazar for productive activities, which can generate jobs and help local economy — a proposition that is more sustainable, he added. [Click here details report]

0 402

Rezaul Karim, Executive Director of coastal region-based NGO COAST Trust, said, ” Local and international NGOs and UN agencies are very sympathetic to the demand of the local people.”

“From Cox’s Bazar CSO and NGO Forum, we have also demanded that, 70 percent of the jobs of the field must be allocated for the locals.”

“But it must be on the basis of qualification and competition.As humanitarian activist, we can’t support road blockage, car vandalisation in the demand of jobs for the locals.

Mr. Karim says, “there is a misconception among the local people about staff termination”

He says, “In emergency situation, there are many short term projects, which are ended within very short period, new project comes. In those cases, employees are very naturally recruited only for that project period.”

The presence of the Rohingyas is slowly creating a kind of tension in Cox’s Bazar.

The sympathy that the Rohingyas received from the local population at the beginning of August, in the year 2017, gradually lost.

Local people are getting annoyed over the Rohingyas gradually as they are suffering in many ways.

উপকূলীয় অঞ্চল ভিত্তিক এনজিও কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, “স্থানীয়দের যে দাবি তার প্রতি লোকাল এনজিও, আন্তর্জাতিক এনজিও এবং জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর খুবই সহানুভূতি রয়েছে।”

“কক্সবাজারের সিভিল সোসাইটি এনজিও ফোরামের তরফ থেকে আমরাও বলেছি যে মাঠ পর্যায়ের যে চাকরিগুলো আছে তার ৭০ শতাংশ লোকালদের দেয়ার জন্য।”

“কিন্তু সেটা হতে হবে যোগ্যতা ও প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে। কিন্তু এই দাবির জন্য যদি রাস্তা বন্ধ করা হয়, ঘেরাও করা হয়, গাড়ি ভাঙচুর করা হয় তাহলে একজন মানবিক কর্মকাণ্ডের ব্যক্তি হিসেবে কোনভাবেই সেটা সাপোর্ট করা যায়না।”

মি. করিম বলছেন, ছাটাই নিয়ে একটি ভুল ধারণার মধ্যে রয়েছে স্থানীয় কর্মীরা।

তিনি বলছেন, “জরুরী সহায়তার এমন পরিস্থিতিতে অল্প সময়ের জন্য অনেক প্রকল্প থাকে। সেগুলো কিছুদিন পর বন্ধ হয়ে যায়। নতুন প্রকল্প আসে। সেসময় খুব স্বাভাবিকভাবে তার কর্মীদেরও কাজ থাকে ঐ নির্দিষ্ট সময় পর্যন্তই।”

রোহিঙ্গাদের উপস্থিতি যেন কক্সবাজারে ধীরে ধীরে এক ধরনের উত্তেজনা তৈরি করছে।

২০১৭ সালের অগাস্ট মাসে সেখানে আগমনের শুরুতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে রোহিঙ্গারা যেই সহানুভূতি পেয়েছিলো ধীরে ধীরে সেই সহানুভূতি যেন হারিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় জনগোষ্ঠী নানাভাবে ভুক্তভোগী হচ্ছেন বলে ধীরে ধীরে রোহিঙ্গাদের উপর তারা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন।

[Click here for BBC Audio news]