COAST Quoted in Media

0 172

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি জার্নাল প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে আর ৮০ বছরের মধ্যেই সমূদ্রপৃষ্টের উচ্চতা ৬০-২৩৮ সেন্টিগ্রেড বেড়ে যাবে। এর ফলে বাংলাদেশসহ আরো বেশ কিছু দেশ এবং নিউইয়র্ক, সাংহাই, লন্ডনসহ বিশ্বে বড় বড় শহরের বিরাট অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংরাদেশের ক্ষতি মোকাবেলায় বেশ কয়েক দশক ধরেই সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কাজ চলছে। কিন্তু নতুন এই গবেষনা প্রতিবেদনের জন্য কি ভাবছে বাংলাদেশ শুনুন ঢাকা থেকে পাঠানো ফারজানা পারভীনের প্রতিবেদনে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রীনল্যান্ড এবং এন্টাকটিকার বরফ গলার কারণে বিশ্বে সমূদ্রের উচ্চতা যে হারে বাড়ছে সেটা পূর্বের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি। বাংলাদেশের মত যেসব এলাকায় ফসল ফলে সেসব এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাবে এর ফলে। এছাড়া বড় শহরগুলোর মধ্যে নিউইয়র্ক, লন্ডন এবং সাংহাই ক্ষতিগ্রস্থ হবে। ২১০০ সালের মধ্যে বৈশ্যিক উষ্ণায়নের ফলে সমূদ্রের উচ্চতা যদি ৬২-২৩৮ সেন্টিমিটার বেড়ে যায় তাহলে বাংলাদেশের উপর কি প্রভাব পড়বে? উপকূলীয় এলাকায় কাজ করা সংস্থা কোস্টাল এ্যাসোসিয়েশন ফর সোস্যাল ট্রান্সফরমেসন ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী বলছিলেন, এর ফলে ২১০০ সাল নাগাদ ১৯টি উপকূলীয় জেলা তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

২১০০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ১৯টি উপকূলীয় জেলা তলিয়ে যাবে। তো এটার ইফেক্টটা যা তা অলরেডি উপকূলীয় এলাকায় দেখা যাচ্ছে। যেমন আমরা দক্ষিণ-পশ্চিম সুন্দরবন এলাকার কথা বলি তাহলে আমরা অলরেডি দেখতে পাচ্ছি যে সেখানে পানির লবণাক্ততার পরিমাণ বেড়ে গেছে। তারপর সাতক্ষীরা অঞ্চলে জোয়ারের প্লাবন বেড়ে গেছে। তারপর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে যদি দেখি, কুতুবদিয়ার মত দ্বীপ সেই দ্বীপ অর্ধেক হয়ে গেছে।

বিজ্ঞানীদের দৃষ্টিতে এভাবে যদি কার্বন নির্গমন হতে থাকে ২১০০ সাল নাগাদ বিশ্বের তাপমাত্রা আরো ৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট বেড়ে যাবে। যেটা বিশ্ব উষ্ণায়নের ক্ষেত্রে ভয়াবহ অবস্থা। তারা বলছেন এর ফলে বিশ্বের একটা বিরাট অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাবে যেটা লিবিয়া যে দেশ রয়েছে তার আয়োতনের সমান। বাংলাদেশের সরকার এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় কি করছে? সরকারের পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলছিলেন, সমূদ্রের উচ্চতা রোধ করার জন্য তাদের কিছু করার নেই। তবে প্রতিরক্ষার জন্য জলবায়ু প্রতিরক্ষা ট্রাস্ট থেকে বাংলাদেশের নিজস্ব তহবিল থেকে কাজ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের যে কোনো উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে দুর্যোগের আগে আগে যেগুলো দেখাতে থাকে যে এরকম এরকম বাঁধগুলো রয়েছে, দুর্যোগে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে। আর লবণাক্ততা পরিহার করার জন্য খালগুলোকে কেটে সেই মিষ্টি পানি পাতে বয়ে যেতে পারে সেদিক চেষ্টা করে থাকি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেদের উদ্যোগে এটা চালিয়ে যাচ্ছে, বাইরের কোনো কিছু আছে বলে আমার জানা নেই। বছরে সাড়ে ৩০০ কোটি তিনি দেন। বাইরের কোনো দেশে আছে বলে আমার জানা নেই।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংস্থা ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সের করা একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটির অফিসিয়াল জার্নাল প্রসেডিং অব ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যেসব দেশ ক্ষতিগ্রস্থ হবে বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হাফিজা খাতুন বলছিলেন, অনেক ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য বাংলাদেশে নানা ধরণের গবেষণা হয়েছে। কিন্তু গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে তিনি মনে করেন।
লাভ কি আবার অসুবিধা কি সেটা জানা দরকার তাই না? সামনে কি আছে। সেই জানার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের প্ল্যানিংটা করতে হবে। এবং সেটা ইমপ্লিমেন্ট করতে হবে। কিভাবে, কে করবে, কেমন করে হবে, কার জন্য হবে এই জিনিসগুলো হয়েছে বলে আমার জানা নেই। আমি বলতে চাচ্ছি স্টাডি হয়েছে, হচ্ছে এবং টাকাও দেয়া হচ্ছে। সেই রেজাল্টটাকে নিয়ে ইনটিজেন্ট করে প্ল্যান করা চাই।
রিপোর্টার ভয়েসঃ এর আগে ২০১৩ সালে ইন্টার গর্ভামেন্ট প্যানেল ান ক্লাইমেট চেঞ্জ বা আইবিসিসি নামে পরিচিত সাখানে গবেষকরা ধারণা করছিলো সমূদ্রের উচ্চতা ৫২-৫৮ সেন্টিমিটার বেড়ে যাবে। যদিও ধারণা সে ধারণা নিয়ে বিতর্ক ছিলো। বিশেষজ্ঞরা বলছিলেন এর মাত্রাটি অনেক রক্ষণশীল অর্থাৎ কম দেখানো হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, এখনো সময় আছে এ খারাপ পরিস্থিতি থেকে বাঁচার জন্য। তবে সে জন্য উল্লেযোগ্য কার্বন নিঃসরণ কমাতে হবে।
ফারজানা করির, ঢাকা থেকে।

[Audio Click here] [BBC News Link]

0 305

The three Rohingyas were arrested on the charge of asking ransom by kidnapping one Rohingya child.

Incidences of so called ‘gunfight or crossfire’ among arrested and police in Bangladesh is not new. But such cases of gunfight with Rohingyas are rare.

The gunfight was taken place near the Muchni Rohingya camp in Hnila, Teknaf on Satarday morning, says Cox’s Bazar Police Superintendent ABM Masud Hossain.

He says, “The Rohingyas who had been killed created a terrorist group in that area, they abducted, robbed, collected extortion and they were hiding in the mountains.”

Mr. Hussein said, “they recently kidnapped a child and took money from his father using various tricks, the child was also from a Rohingya family, later they released the child. We later learned it and arrested three of them. After arresting them, their associates shot the child dead while he was playing.”

Killing of this child of three to three and half years of age was taken place four-five days earlier, informed the police officer. He said, deceased three Rohingyas were residents of Nayapara camps of Teknaf, they had come to Bangladesh many days ago.

Rohingya people are involved in various criminal offences, says a police officer.  In each month, at least 15 cases are filed on various crimes happened in camps. In the Rohingya camps, sometimes clashes and even murder is happening due to conflicts among different groups on establishing supremacy over the markets and in camps- says Mr. Hossain.

he says, ” There is no wall around the camps, and this creates problem for us.  Criminals in the Rohingyas go hide into the mountains after any terrorist activities. They sometimes cross the border easily, this is a big challenge for us.”

But he says that these incidents are not happening too much. He thinks there is nothing to worry about.

While trying to talk with leading Rohingyas in the camp on these allegations, they did not want to talk due to fear. But they acknowledged that, incidences of involvement of Rohingyas in criminal offences had been increased

Additional 950 police members have been recruited in Cox’s Bazar to ensure security of the Rohingya camps. Ten policemen have been recruited recently to investigate only Rohingya related cases.

At present, there are eleven million Rohingyas are staying in Bangladesh. Of them, more than seven hundred thousand came in the year of 2017 to flee from the killings, rape and various types of tortures of Myanmar army. The rest of the Rohingyas had come earlier at different times.

In the early 1970’s, Rohingya had started coming to Bangladesh. In the 90’s, another large number of Rohingyas came. After that, Rohingyas are coming in small numbers and are joining their relatives living here.

The authorities admit that, Rohingyas are still coming.

Many of the Rohingyas who came before have been able to mix themselves with Bangladeshi local communities.

Although Myanmar have given its commitment to take them back, there are allegation against this country not to cooperate in this regard in reality. So, there are fear on whether Rohingyas can return at all.

Executive Director of COAST Trust, Rezaul Karim, who works with Rohingya response  in the coastal region, said that, they have already expressed  concerns about the Rohingyas with uncertainty of education-employment- and future.

From it’s field visit BBC finds that, the host communities, who once sheltered Rohingyas with their sympathy, are slowly losing that sympathy.

Mr. Karim says, “They are living in a very congested place.” They have no communication with education for decades, 55 percent of them are young. ”

“If we provide only food, If we cannot give them any kind of work, if we fail to show the future, if we do not create any opportunity for them, they will be disappointed and will be involved in any kind of bad works.”

Please click the bellow icon to listen the audio clip

Rezaul Karim Chowdhury, head of COAST Trust, a non-profit body working for the Rohingyas, said there was a grave danger of radicalisation if the Rohingyas were not provided with education and income-generating activities. Vested groups could take advantage of their frustration and idle days in the camps, he added.

He said the religiously-conservative Rohingyas should be given education, skills and income-generating opportunity. The authorities need to work on promoting cultural and human values among them, he added.

Kalam said authorities and aid agencies were trying to ensure informal education and skills like sewing and homestead gardening for the refugees. This can reduce their dependence on aid to some extent.

The government and aid agencies are mobilising Rohingya men and women and promoting human and cultural values to address the risks of radicalisation, he noted.

Meanwhile, Chowdhury of COAST said locals felt deprived of their own rights due to the influx.

Rohingyas provide cheap labour in farms around the refugee camps, which is a matter of concern for the local workers, he added.

Locals have been affected by the destruction of forest, which was a big source of income for them, he said.

Chowdhury said food and other supplies required for the Rohingya are brought from other districts; the government can take initiatives to produce the supplies in Cox’s Bazar to help the local economy.

Foreign countries can also invest in Cox’s Bazar for productive activities, which can generate jobs and help local economy — a proposition that is more sustainable, he added. [Click here details report]

0 586

Rezaul Karim, Executive Director of coastal region-based NGO COAST Trust, said, ” Local and international NGOs and UN agencies are very sympathetic to the demand of the local people.”

“From Cox’s Bazar CSO and NGO Forum, we have also demanded that, 70 percent of the jobs of the field must be allocated for the locals.”

“But it must be on the basis of qualification and competition.As humanitarian activist, we can’t support road blockage, car vandalisation in the demand of jobs for the locals.

Mr. Karim says, “there is a misconception among the local people about staff termination”

He says, “In emergency situation, there are many short term projects, which are ended within very short period, new project comes. In those cases, employees are very naturally recruited only for that project period.”

The presence of the Rohingyas is slowly creating a kind of tension in Cox’s Bazar.

The sympathy that the Rohingyas received from the local population at the beginning of August, in the year 2017, gradually lost.

Local people are getting annoyed over the Rohingyas gradually as they are suffering in many ways.

উপকূলীয় অঞ্চল ভিত্তিক এনজিও কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, “স্থানীয়দের যে দাবি তার প্রতি লোকাল এনজিও, আন্তর্জাতিক এনজিও এবং জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর খুবই সহানুভূতি রয়েছে।”

“কক্সবাজারের সিভিল সোসাইটি এনজিও ফোরামের তরফ থেকে আমরাও বলেছি যে মাঠ পর্যায়ের যে চাকরিগুলো আছে তার ৭০ শতাংশ লোকালদের দেয়ার জন্য।”

“কিন্তু সেটা হতে হবে যোগ্যতা ও প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে। কিন্তু এই দাবির জন্য যদি রাস্তা বন্ধ করা হয়, ঘেরাও করা হয়, গাড়ি ভাঙচুর করা হয় তাহলে একজন মানবিক কর্মকাণ্ডের ব্যক্তি হিসেবে কোনভাবেই সেটা সাপোর্ট করা যায়না।”

মি. করিম বলছেন, ছাটাই নিয়ে একটি ভুল ধারণার মধ্যে রয়েছে স্থানীয় কর্মীরা।

তিনি বলছেন, “জরুরী সহায়তার এমন পরিস্থিতিতে অল্প সময়ের জন্য অনেক প্রকল্প থাকে। সেগুলো কিছুদিন পর বন্ধ হয়ে যায়। নতুন প্রকল্প আসে। সেসময় খুব স্বাভাবিকভাবে তার কর্মীদেরও কাজ থাকে ঐ নির্দিষ্ট সময় পর্যন্তই।”

রোহিঙ্গাদের উপস্থিতি যেন কক্সবাজারে ধীরে ধীরে এক ধরনের উত্তেজনা তৈরি করছে।

২০১৭ সালের অগাস্ট মাসে সেখানে আগমনের শুরুতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে রোহিঙ্গারা যেই সহানুভূতি পেয়েছিলো ধীরে ধীরে সেই সহানুভূতি যেন হারিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় জনগোষ্ঠী নানাভাবে ভুক্তভোগী হচ্ছেন বলে ধীরে ধীরে রোহিঙ্গাদের উপর তারা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন।

[Click here for BBC Audio news]