Coastal news

0 317

KARACHI: The World Forum of Fisher People (WFFP) and Pakistan Fisherfolk Forum (PFF) while welcoming the report designed by Olivier De Schutter, the United Nations Special Rapporteur on the Right to Food, who warned of the threat of ‘ocean-grabbing’ to food security, and urged world governments and international bodies to halt the depletion of fish stocks, and take urgent steps to protect, sustain, and share the benefits of fisheries and marine environments.

Representing the world fisher communities, WFFP and PFF appealed to the Pakistan government to design policy in the light of recommendations designed by the UN Rapporteur on the right to food to avoid food insecurity, as fears of sea intrusion, depletion of mangroves, delta and fresh waters were visible in the country, depriving fishermen of their right to livelihoods. “More than two million people depend on ocean for fishing here. The sea intrusion has taken away more than 2.6 million acres fertile land, which is alarming for the community.”

PFF Chairperson Mohammed Ali Shah, who is also the Secretary General of WFFP, urged the Pakistan government to incorporate the recommendations in its Fisheries Policy to adopt mechanism to safeguard our fish reserves.

“Unchecked over exploitation of resources, like fish stock has put hundreds of people to live a vulnerable life there without availability of fish for their family’s consumption,” Shah said.

“‘Ocean-grabbing’ – in the shape of shady access agreements that harm small-scale fishers, unreported catch, incursions into protected waters, and the diversion of resources away from local populations – can be as serious a threat as ‘land-grabbing,’” De Schutter said as he unveiled a new report on fisheries and the right to food.

“Without rapid action to claw back waters from unsustainable practices, fisheries will no longer be able to play a critical role in securing the right to food of millions,” the expert said, noting that “with agricultural systems under increasing pressure, many people are now looking to rivers, lakes and oceans to provide an increasing share of our dietary protein.”

Estimates on the scale of illegal catch range from 10-28 million tones (mt), while some 7.3mt – 10 per cent of global catch – is discarded every year. “It is clear that as fish are becoming less abundant, fishing vessels are tempted to evade rules and conservation strategies,” the Special Rapporteur said.

Many of the world’s waters are fished by distance fleets, De Schutter noted, calling for the Licence and Access Agreements (LAAs). He called for LAAs to include stronger oversight mechanisms to tackle illegal and unreported catch; take full account of the role of fisheries and small-scale fishers in meeting local food needs; strengthen labour rights on fishing vessels; and be concluded only on the basis of human rights impact assessments, to be prepared with the assistance of flag states.

The UN expert called on governments to rethink the models of fisheries that they support, highlighting that small-scale fishers actually catch more fish per gallon of fuel than industrial fleets, and discard fewer fish. “Industrial fishing in far-flung waters may seem like the economic option, but only because fleets are able to pocket major subsidies while externalizing the costs of over-fishing and resource degradation. Future generations will pay the price when the oceans run dry,” he said.

Source:Daily Times:http://www.dailytimes.com.pk/default.asp?page=2012\11\01\story_1-11-2012_pg7_20

0 313

At least 22 people were killed and many injured when storms lashed through several upazilas of Noakhali, Bhola and Chittagong early Thursday.

Of the victims, 12 were killed in Noakhali, six in Bhola and four in Chittagong.

Our Noakhali correspondent reports, the storm killed 12 people in Hatia and Subarnachar upazilas.

Moktar Hossain, officer-in-charge of Hatia Police Station, and advocate Enam, chairman of Mohammadpur union Parishad confirmed the deaths.

The 20-minute long storm that started from 2:00am also destroyed mosques, educational institutions and more than 200 thatched houses in Subarnachar, Hatia, Companiganj and Sadar upazilas.

The storm also uprooted scores of trees that snapped road communications in Subarnachar and Hatia.

Electricity supply remained snapped at the district headquarters following the storm.

Three of the deceased are: Sharmin, 10, Nur Jahan, 55, of Subarnachar, and Rajeshwari Das, 45, of Hatia.

Fourteen cattle were also killed during the storm.

Several fishermen with their fishing trawlers remain missing until 12:00noon when this report was filed, said Mohiuddin, chairman of Char King Union Parishad.

In Bhola, six people were killed and hundreds of thatched houses destroyed in Char Fashion and Monpura upazilas during the storm, reports our Barisal correspondent.

Naresh Chandra Karmakar, officer-in-charge of Monpura Police Station, confirmed the deaths of Shah Alam, 40, and Abdul Khalek, 30.

Besides, two fertiliser and sand-laden cargoes capsized in Meghna during the storm, Naresh said adding that more than 1,000 fishermen with 100 trawlers remain missing until 2:00pm today.

He also said the storm also damaged around 800 houses and up rooted a few hundred trees in the upazila.

One Amena Begum, 32, died during the storm at Dhalchar in Char Fashion upazila, said Sultan Ahmed, officer-in-charge of South Aicha Police Station.

The South Aicha OC also informed that 14 trawler went missing with 500 fishermen.

In Chittagong, four people were killed as a storm swept over Swandip and Mirsarai upazilas.

Two of the deceased are Khodeza Begum, 65, of and Anwara Begum, 30, of Swandip, and Shamsul Haque, 60, of Mirsarai upazila headquarters.

Maksudur Rahman Phul Miyan, UP Chairman of Santospur, said of the two women, one died in a house collapse and the other died when an up rooted tree fell on her.

Besides, Md Giasuddin, Upazila Chairman of Mirsarai, confirmed the The Daily Star about the death of Shamsul Haque, 6o, of No. 9 ward.

The storm also damaged over 2,000 dwelling houses, 2,500 acres of agricultural land and killed 20 cattle.

Source:The daily Star:http://www.thedailystar.net/newDesign/latest_news.php?nid=41563

0 327

ছোনকা গ্রামটির চেহারা পাল্টে যাচ্ছে। বছর পাঁচেক ধরে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার এই গ্রামের ফসলের জমিতে একের পর এক গড়ে উঠছে নানা শিল্পকারখানা। এর মধ্যে আছে সিমেন্ট ও তেলের কারখানা, চালকল, মুরগির খামার, মাছের খামার, ইটের ভাটা ইত্যাদি। গ্রামের জমির মধ্যে ইটের দেয়াল তুলে বড় বড় প্লট ঘিরে রাখার দৃশ্যও চোখে পড়ে।
‘এসব জায়গা কেউ না কেউ কিনে রেখেছে। নতুন কোনো কারখানা হবে।’ জানালেন গ্রামের মো. আলাউদ্দিন। শেরপুরের ভবানীপুর ইউনিয়নের মধ্যে পড়েছে ছোনকা। ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জি এম মোস্তফা কামাল বলেন, এই গ্রাম এবং আশপাশের বেশির ভাগ কৃষিজমি হয় বিক্রি হয়েছে, নয়তো বিক্রির প্রক্রিয়ায় আছে। জমি কেনাবেচা এলাকার অনেকের পেশায় পরিণত হয়েছে।
একটি তেলের মিলের জন্য এক বিঘা দুই শতক জমি বিক্রি করেছিলেন আয়নাল হক। বললেন, ‘শুনছিলাম কারখানা হবে ১০ বিঘায়। পরে সেইটা হইছে ৫০ বিঘায়। কোথাও কারখানা হইলে আশপাশে যাগো জমি আছে, তাগো বিক্রি না কইরা উপায় থাকে না। এলাকায় অনেকেই জমি বিক্রি করতে বাধ্য হইতেছে।’
শেরপুরের উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে ছোনকা এবং এর আশপাশের ৬০০ বিঘা কৃষিজমি অকৃষি নানা খাতে চলে গেছে। এলাকার দু-তিন ফসলি জমি যেভাবে অন্য খাতে চলে যাচ্ছে, সেটা কৃষির জন্য ভালো নয়। আমরা বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত।’
ছোনকা কেবল একটি উদাহরণ মাত্র। এই গ্রামের মতো বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার কৃষিজমি এভাবেই কৃষিকাজের আওতার বাইরে চলে যাচ্ছে। পরিকল্পনা কমিশনের হিসাবে, প্রতিবছর দেশে কৃষিজমি কমছে ৮২ হাজার হেক্টর, যা মোট জমির ১ শতাংশ। কৃষিশুমারি ১৯৮৪ ও ২০০৮-এর মধ্যে তুলনা থেকে দেখা যায়, চাষকৃত এলাকার পরিমাণ কমেছে সাত লাখ ৩৩ হাজার একর, অর্থাৎ ২৪ বছরে ৮ দশমিক ৮ শতাংশ। এর অর্থ প্রতি বছরে সাড়ে ৩০ হাজার একর। গড়ে প্রতিবছর দশমিক ৩৭ শতাংশ।
কৃষিজমি যে হারে কমছে, তাকে উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব হোসেন। ‘প্রতিবছর দেশের জনসংখ্যায় যোগ হওয়া নতুন মুখের জন্য সাড়ে তিন লাখ টন বাড়তি চালের দরকার হয়। এই হিসাবটি ফসলি জমির ক্রমান্বয়ে কমে যাওয়ার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তাকে ভীতিকর করে তোলে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য এই প্রবণতা সুখকর নয়।’ বলেন মাহবুব।
সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও কৃষিজমি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য শামসুল আলম বলেন, ‘কৃষিজমির সংকট এখন প্রকট। বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার যে কথা বলা হয়, সেটা আসলে ভঙ্গুর। কৃষিজমি যেভাবে নষ্ট হচ্ছে, তাতে কোনো বড় ধরনের চাপ এলে আমরা অসুবিধার মধ্যে পড়ব।’
কৃষিজমির সঙ্গে সঙ্গে কমছে কৃষি পরিবারের সংখ্যাও। কৃষিশুমারি ২০০৮ অনুসারে, ১৯৮৩-৮৪ সালে গ্রামাঞ্চলে কৃষি পরিবারের সংখ্যা ছিল ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। এই সংখ্যা ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কমে যায় যথাক্রমে ৬৬ দশমিক ১৮ ও ৫৬ দশমিক ৭৪ শতাংশে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিশিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) ‘আরবান লেবার মার্কেটস ২০১০’ শীর্ষক গবেষণায় জানা যায়, ১৯৯৫-৯৬ সাল থেকে ২০০৫-০৬ সালে অকৃষি পেশার সংখ্যা প্রায় আট লাখ থেকে বেড়ে প্রায় ১২ লাখ হয়েছে। অর্থাৎ বছরে বেড়েছে ৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ হারে।
কৃষিজমি কমছে যেসব কারণে: কৃষিজমি কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে মূল বলে মনে করেন গবেষকেরা। বাড়তি জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে ঘরবাড়ি তৈরির জন্য ব্যবহূত হচ্ছে ভূমি। ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে বসতবাড়ির সংখ্যা ছিল দুই কোটি সাড়ে ৪৮ লাখ। ২০০৮ সালের কৃষিশুমারিতে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় দুই কোটি ৮৬ লাখ ৭০ হাজার। সাত বছরে বেড়েছে ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে বসতবাড়ির সংখ্যা তিন কোটি ২১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৩০। বসতবাড়ি এলাকার পরিমাণ ১৯৮৪-১৯৯৬ ও ১৯৯৬-২০০৮ সময়ে তিন লাখ ৫২ হাজার একর থেকে বেড়ে ছয় লাখ ৭৭ হাজার একরে দাঁড়িয়েছে।
বাড়তি মানুষ তৈরি করছে নতুন নতুন শহর। ইউনেস্কো প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের নগরকেন্দ্র: প্রবণতা, ধরন ও বৈশিষ্ট্য’ নামের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১৯৭৪ সালে শহুরে এলাকার সংখ্যা ছিল ১০৮। এই সংখ্যা ১৯৯১ সালে বেড়ে যায় ৫২২-এ। বিশ্বব্যাংকের ‘বিশ্ব উন্নয়ন সূচক ২০০৯’ থেকে জানা যায়, ১৯৯০ সালে দেশের ২০ শতাংশ মানুষ শহরে বাস করত। ২০০৭ সালে তা বেড়ে হয় ২৭ শতাংশ। বৃদ্ধির এই হারে (৩ দশমিক ৭ শতাংশ) দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ।
নতুন শহর হচ্ছে। বাড়ছে রাস্তাঘাট। রাস্তাঘাটের বড় অংশই হচ্ছে কৃষিজমিতে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১২ অনুযায়ী, ২০০১ সালে দেশে জাতীয় মহাসড়কের পরিমাণ ছিল ৩০৮৬ কিলোমিটার। ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসে দাঁড়িয়েছে ৩৫৩৮ কিলোমিটার। আঞ্চলিক মহাসড়কের পরিমাণ ২০০১ সালের ১৭৫১ কিলোমিটার থেকে বেড়ে ২০১২ সালে হয়েছে ৪২৭৬ কিলোমিটার।
নদীভাঙনের কারণে দেশের ভূমির কিছু অংশ হারিয়ে যাচ্ছে প্রতিবছর। সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) হিসাব অনুসারে, ২০১০ সালে ১৬৫৫ হেক্টর জমি ভাঙনের শিকার হয়। ২০০৯ ও ২০০৭ সালে এই সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ২১৭৮ ও ২৭৬৬ হেক্টর।
নতুন নতুন ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট তৈরির জন্য দরকার পড়ছে ইট। এসব ইটের ভাটার বেশির ভাগ তৈরি হচ্ছে কৃষিজমিতে। পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে কেবল রাজশাহী বিভাগে ইটভাটা কোন ধরনের জমিতে স্থাপিত হয়েছে, তার উল্লেখ আছে। রাজশাহীতে মোট এক হাজার ১৬৫টি ইটভাটার মধ্যে ৭৩৩টি স্থাপন করা হয়েছে কৃষিজমিতে।
আইনি সুরক্ষা নেই: দেশে কৃষিজমি যে কেউ যেকোনো কাজে ব্যবহার করতে পারে। এটা রোধ করার কোনো আইনি ব্যবস্থা নেই। এ জন্য আইনের বড় পরিবর্তন করে উর্বর ও কৃষি উপযোগী জমি ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করার জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করার কথাও বলা হচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আকবর আলি খান কৃষিজমিতে কোনো স্থাপনা করলে বেশি কর আরোপ করার প্রস্তাব দেন।
কৃষিজমির সুরক্ষায় খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনেরও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। জাপানে গত শতকের পঞ্চাশের দশকে মাথাপিছু ১৫০ কেজি চালের প্রয়োজন হতো। এখন তা ৬০ কেজিতে এসে ঠেকেছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এটা সম্ভব হয়েছে।

Source:Prothom alo:http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-09-26/news/292837

0 333

ঝড়ের সঙ্গে লড়াই মহেশখালীর বুকে
রাজীব নন্দী, মহেশখালী (কক্সবাজার) থেকে ফিরে
বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে পাহাড় ঘেরা দ্বীপ মহেশখালী। দূর বঙ্গোপসাগরের বুক থেকে দেখলে যেন মনে হয় নজরুলের ‘আকাশে হেলান দিয়ে পাহাড় ঘুমায় ঐ’! কিন্তু পাহাড়-দ্বীপের এই ঘুম শান্তির নয়। ঝড়-তুফান তাদের জাগিয়ে রাখে নিত্য। যুগে যুগে ঝড়ের সঙ্গে লড়ছে ওরা। সেই লড়াইয়ে খুইয়েছে ওরা পরিবার, নৌকা, বসত-ভিটা। এখন সেই লড়াইয়ে সঙ্গী হয়েছে কোস্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল ট্রান্সফর্মেশন ট্রাস্ট (কোস্ট) বাংলাদেশ। বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের আহমদিয়া কাটা আর মুদিরছড়া গ্রামের দরিদ্র মৎস্যজীবীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্যই কোস্ট দেখাচ্ছে তাদের উপকূলের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বাঁচার কৌশল।
কোস্ট ট্রাস্টের কক্সবাজার আঞ্চলিক অফিসের টিম লিডার মকবুল আহমেদ সমকালকে বলেন, ‘দুই গ্রামের ১০০ পরিবারের মধ্যে ৮০টি পরিবারকে ছাগল পালনে উদু্বদ্ধকরণ ও ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। সমুদ্রে জীবন রক্ষাকারী লাইফ সাপোর্ট জ্যাকেট দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ১৫টি বড় বোটকে নাবিকদের ঝড় সতর্কীকরণ সংকেত শোনার জন্য রেডিও দেওয়া হয়েছে।’ উপকূলীয় অঞ্চলে মৎস্যজীবীদের মধ্যে জলবায়ুু পরিবর্তনের ফলাফল সম্পর্কে সচেতন করতে এবং তাদের ক্রমবর্ধমান দুর্দশা লাঘবে বিকল্প কর্মসংস্থানের গুরুত্ব অনুধাবনের জন্য কোস্ট ট্রাস্ট মহেশখালী উপজেলার দুই মৎস্যজীবী গ্রামের একশটি পরিবারের জন্য অংরধহ উরংধংঃবৎ জবফঁপঃরড়হ ধহফ জবংঢ়ড়হংব ঘবঃড়িৎশ (অউজজঘ)-এর সহায়তায় এই কার্যক্রমের নাম ঈধসঢ়ধরমহ ড়হ ঝধভব ঈড়ধংঃ ঝধভব ঈড়সসঁহরঃরবং রহ ইধহমষধফবংয।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের মাত্রা ক্রমেই বাড়ছে। ২০১০ ও ২০১১ সালে জলবায়ুর অস্বাভাবিক পরিবর্তনের ফলে কক্সবাজার জেলার মহেশখালী-কুতুবদিয়া উপজেলা এবং কক্সবাজার উপকূলের মৎস্যজীবীদের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ঘন ঘন ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ঘোষণার ফলে সমুদ্র থেকে বারবার উপকূলে নিরাপত্তার জন্য ফিরে আসতে হয়েছে। এতে শ্রমিক ও নৌকার মালিক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অথচ এই সময়ে মৎস্যজীবীরা অন্য কোনো কাজ করতে পারেন না। এই উদ্যোগের ফলে উপকূলে সুফল মিলছে বলে উল্লেখ করে মকবুল আহমেদ সমকালকে বলেন, গত মাসে এই কর্মসূচি শেষ হয়েছে। মাসব্যাপী এই উদ্যোগে পথসভা, বৈঠক, পাড়ায় পাড়ায় সভা, ইউনিয়ন পর্যায়ের স্টক হোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাসিক আয় চার হাজার টাকার নিচে_ এমন পরিবারকে এই সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের আশঙ্কা সৃষ্টি হলে সাধারণত ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়। নিয়মানুযায়ী আবহাওয়া অধিদফতর এই সতর্ক সংকেত জারি করলে সব মাছ ধরার ট্রলার বা নৌকাকে অবশ্যই সমুদ্র থেকে উপকূলে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে হবে। নব্বইয়ের দশকে মধ্য নভেম্বর পর্যন্ত গড়ে বছরে পাঁচ থেকে সাতবার ৩ নম্বর
বিপদ সংকেত ঘোষণা করা হতো, সেখানে ২০১০ সালে সেই সংকেত জারি করা হয়েছে ১৪ বার। উপকূলে ঝড়ের এই প্রবণতাই কোস্ট ট্রাস্টের উদ্যোগকে
সময়োপযোগী করে তুলেছে।

Source:Samakal:http://samakal.com.bd/details.php?news=190&view=archiev&y=2012&m=05&d=13&action=main&menu_type=&option=single&news_id=258875&pub_no=1051&type=

0 333

Coastal parts of the country witnessed rapid salinity intrusion within one year, according to a recent study of Bangladesh Agricultural Development Corporation (BADC).

“Salinity concentration in groundwater in Barguna, Pirojpur,

Bagerhat, Satkhira and Khulna districts has increased two deci siemens (DS) per metre in one year,” BADC Agriculture, Water and Environmental Engineer Dr Md Eftekharul Alam told the news agency.

Salinity concentration in the southern districts was 12 DS per metre in 2011 while 14 DS per metre in 2012, he said adding, “Increase of two DS per metre salinity concentration within one year is alarming to our ecology.”

Eftekhar said BADC conducted the study in southern region to assess the state of invisible underground saline water intrusion.

Under the study, 182 salinity observation wells were installed in the coastal region and data of those wells showed increase of two DS metre salinity concentration at 110 feet depth in the region, he added.

The study revealed that saline water is advancing towards the north at two district depths at about 110 feet and 650 feet from the ground level.

Eight percent irrigation water and ninety-eight percent drinking water are collected from underground source and it is abstracted without proper planning, Eftekhar added.

He said abnormal increase of salinity concentration in the groundwater of southern region exposed serious thereat to ecosystem and biodiversity that will destabilise the food security of the country.

He said if groundwater is polluted by saline water intrusion, it will destabilise the food security and ecosystem and biodiversity of about 12 percent southern area of the country where about 60 million people live.

Country’s groundwater is now in unbalanced condition due to more abstraction than its total annual recharge, Efthekhar said adding groundwater levels in different parts of the country are going down below the mean sea level due to excessive and unplanned use of groundwater.

BADC sources said in some areas it is about 174 feet and thus most of the suction mode irrigation pump cannot lift water in dry season. Besides, this vacuum is being filled in by saline sea from the Bay of Bengal through underground aquifers, they added.

Concentration of salinity in the groundwater of southern part is found maximum at a depth of 110 feet from ground level, they said adding maximum salt concentration at a depth of 110 feet is provably due to less discharge in the international rivers and excessive withdrawal of groundwater by tubewells.

Efthekhar said groundwater is being used for irrigation largely in an unplanned manner, which contribute to misuse of water keeping a huge negative impact on ecology and agriculture.

Nearly 13 lakh tubewells mostly shallow are being used for irrigation through groundwater in crop production, he said adding the number of tubewells is excess than requirement as eight lakh tubewells are enough to meet demand of water for irrigation.

Dr Eftekhar said the excessive number and short distance installation of tubewells as well as other machinated equipment for lifting water pushed down the water table rapidly.

Prof Umme Kulsum Navera of Department of Water Resources Engineering of Bangladesh University of Engineering and Technology (Buet) said the unplanned shrimp cultivation requiring saline waters in the coastline deteriorated the state of environment in the region.

Salinity intrusion is engulfing the coastal region rapidly due to less discharge of rivers in coastal region, Navera said adding flow of the river Gorai should be increased to keep water levels of other rivers normal, which will help resist influx of saline water from Bay of Bengal.

Groundwater level in almost all parts of the country is declining fast from mean sea level due to its overuse and less discharge of rivers, Eftekhar said adding rapid decline in aquifer level is inviting saline water which increases concentration of salinity in groundwater.

The water and environment experts feared that the country will witness a catastrophe, if declining of groundwater level continues.

Many countries already reduced dependency of groundwater for both drinking and irrigation purposes, said Navera supplementing Eftekhar.

“We should ensure availability of surface water through canal digging programme and capital dredging in all major rivers aiming to reduce dependency of groundwater,” Eftekhar said adding preserving rainwater and increasing irrigation efficiency would also cut dependency on groundwater.

Source:The daily star:http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=247080

0 319

Natural Disasters
Asian nations at most risk
Bangladesh, Philippines top list
Afp, Paris

Asian countries dominate a league table of economies most at risk from earthquakes, floods, storms and other natural hazards, according to research published yesterday.

In an assessment of 197 countries, British risk consultancy Maplecroft said six Asian countries were among the 10 countries whose economies were most vulnerable to catastrophes.

The list is headed by Bangladesh and the Philippines, which along with Myanmar are considered to be at “extreme” risk.

Only one other country, the Caribbean state of Dominican Republic, falls into this category, and was rated third overall.

The other countries in the top 10 were India, Vietnam, Honduras, Laos, Haiti and Nicaragua.

The “Natural Hazards Risk Atlas” looks at the impact of natural disasters on a country relative to its economy, taking into account preparedness to deal with such events and social ability to rebound.

If a country’s infrastructure is weak and its governance is poor, the economic consequences are that much greater.

The report highlighted the impact on the Philippine economy from storms, landslides, volcanoes and floods, including severe flooding that struck the northern island of Luzon last week.

It also noted the consequences of drought in India, which this year is likely to shave 0.5 percent off the country’s gross domestic product (GDP).

The analysis’s other benchmark is the absolute exposure to natural hazards, meaning the total bill from a disaster. This is different from relative exposure, which means the economic pain that comes from it.

By the “absolute” yardstick, the countries that face the biggest tabs when natural catastrophes occur are Japan, the United States, China, Taiwan and Mexico.

However, they have greater muscle and stronger institutional means to cope, and this limits the hit to the economy.

“As the global influence of emerging economies increases, the importance of their inherent natural hazard exposure will have wider and deeper global implications,” said Maplecroft analyst Helen Hodge.

“The test for emerging and developing economies is to build a stronger capacity to meet the challenge of hazard-prone environments. Failure to do so will risk their ambitious economic growth when the inevitable natural hazards strike.”

According to the reinsurance giant Munich Re, 2011 was the costliest year ever for natural disasters, inflicting economic losses of $380 billion. The March 11 2011 earthquake and tsunami accounted for 55 percent of the total.

Source:The daily star:http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=246360

0 369

Dhaka, Aug 15 (bdnews24.com)—An international disaster research put Bangladesh at the top of the list of countries in South Asia that face financial risks from threats of natural hazards.

“Bangladesh, the Philippines, Myanmar, India and Vietnam are among the ten countries with the greatest proportion of their economic output exposed to natural hazards,” international disaster research body Maplecroft said in its ‘2nd Natural Hazards Risk Atlas’ published on Wednesday.

Terming the countries ‘Some of Asia’s most important growth economies’, the report said, “[They] have the highest financial risk from the threat of natural hazards, due to the high exposure of their cities and trading hubs to events such as flooding, earthquakes and tropical cyclones.”

“In addition, they also demonstrate poor capability to recover from a significant event exposing investments in those countries to risk of supply chain and market disruptions. This could lead to sizable business interruption costs, in addition to material damage to essential infrastructure.”

Helen Hodge, Maplecroft’s Head of Maps and Indices, explained their observation: “High exposure to natural hazards in these countries are compounded by a lack of resilience to combat the effects of a disaster should one emerge.”

She added that given the exposure of their ‘key financial and manufacturing centres’, the economic output of these countries as well as foreign business could face significant impact in case of such occurrences.

Maplecroft also pointed out that even though Japan, China, Taiwan and Mexico have ‘the highest economic exposure to natural hazards in absolute terms’, they have the capacity of recovering relatively quickly from them, which the ten do not have.

“Impacts in these exposed Asian countries are also heightened by their economic fragility,” Maplecroft’s site read.

“Some of the highest risk countries have substantial economic outputs, but they are fuelled by large, poor populations, many of which live on marginal land such as flood plains, leaving constituent workforces at heightened risk and without the necessary resources to re-establish themselves in the aftermath of an event”

Maplecroft added that these countries may take years to recover from a disaster of the scale of Japan’s earthquake, while Japan only took a year to return to their ‘economic output levels and growth forecasts seen prior to the event’.

Explaining how the analysis was carried out, Helen Hodge told the BBC: “In order to look at economic output, we use a technique where we look at night-time lights, and then distribute economic exposure according to night-time lights. This is based on research that shows you tend to get concentrations of economic exposure coinciding with bright lights.”

“We then used [Geographic Information System] techniques to effectively map the different data across each other, so where does the seismic risk lie? Where does the tropical cyclone risk lie?”

Source: bdnews24.com: http://www.bdnews24.com/details.php?cid=2&id=230370&hb=3

0 325

Thirty-six fishermen kidnapped by Sundarbans robbers near Fairway Buoy of the Bay in Sharankhola upazila early Friday could not be rescued till filing of this report at 2 pm yesterday.

Though the members of Bangladesh Coast Guard of Mongla West Zone and Bangladesh Navy of Mongla have launched a joint drive after the abduction, they could not make any headway in rescuing the fishermen.

Zonal Commander of Coast Guard Mongla West Zone M Saidur Rahman told the wire service that they went into the joint operation in the coastal areas since Friday afternoon.

Over 100 members from the two forces were conducting the drive with two ships and six speed boats, he said, adding that rains and rough sea were hampering the operation.

Saidur said they were carrying out their operation cordoning off the dens of robbers in the Sundarbans.

Police superintendent of Bagerhat Khondakar Rafiqul Islam said they were raiding the houses of relatives of the robbers in Rampal and Sadar upazilas.

“We are interrogating relatives of the robbers to know their whereabouts”, he said.

Armed robbers kidnapped the 36 fishermen along with three trawlers and looted valuables worth about Tk 12 lakh near Fairway Buoy in the Bay in Sharankhola upazila early Friday.

Five fishermen were also injured by the attackers.

A gang of 15/20 belonging to notorious ‘Mortoza Bahini’ attacked over 100 fishermen when they were catching hilsa in 10 trawlers.

Later they demanded a ransom of Tk 50,000 for release of each of the 36 fishermen.

They also threatened to kill the fishermen if their demand is not met within a week.

Source: The daily star:http://www.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=246036

0 302

কক্সবাজারের টেকনাফে এক হাজার ৪৮২ একর জমির পানের বরজে পাতাপচা ও ছত্রাক রোগে মড়ক দেখা দিয়েছে।
কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, মাত্রাতিরিক্ত জৈব সার ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে ছত্রাক আক্রান্ত হয়ে পাতা শুকিয়ে বরজ নষ্ট হচ্ছে। হঠাৎ করে এ রোগের প্রাদুর্ভাবে চাষিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় প্রায় সাড়ে চার হাজার চাষি এবার এক হাজার ৯৭৬ একর (৮০০ হেক্টর) জমিতে পানের চাষ করেছেন। এর মধ্যে বেশি জমি চাষ করা হয়েছিল সাবরাং, বাহারছড়া, টেকনাফ সদর ও হ্নীলা ইউনিয়নে। কিন্তু ভারী বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি মাত্রাতিরিক্ত জৈব সার ব্যবহারের কারণে পানের ফলন ভালো হয়নি। তার ওপর পাতাপচা ও ছত্রাক রোগে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৪৮২ একর জমির পান। আক্রান্ত বরজের পান কালো ও হলুদ হয়ে গেছে। বর্তমানে ৪৯৪ একর (২০০ হেক্টর) জমিতে পানের বরজ রোগমুক্ত রয়েছে।
সরেজমিনে উপজেলার কয়েকটি গ্রামের পানের বরজ ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ বরজের পাতায় ছোপ ছোপ কালো ও হলুদ দাগ। কয়েকজন চাষি বলেন, বর্তমানে পান চাষ বেশ লাভজনক। বিদেশে পান রপ্তানি করার সুবাদে চাষিরা কয়েক বছর ধরে পান চাষের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়েছেন। কিন্তু এবার রোগাক্রান্ত পান নিয়ে চাষিরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সাবরাংয়ের পানচাষি ফজলুল হক ও আমেনা খাতুন বলেন, চলতি মৌসুমে পান চাষে লাভ তো দূরের কথা, আসল টাকা পাওয়া যাবে কি না সহেন্দ রয়েছে। কারণ গতবারের তুলনায় অনেক বেশি পাওয়ার আশায় আগাম পান চাষে নামা হয়েছিল। যেখানে গত বছর প্রতি বিড়া পান ৫০-৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, সেই পান এ বছর বিক্রি হচ্ছে ১৫০-২০০ টাকায়। বিপুল পরিমাণ আয়ের আশা থাকলেও শেষ পর্যন্ত চাষিদের মুখের হাসি কেড়ে নিয়েছে পাতাপচা ও ছত্রাক রোগ।
উপজেলা কৃষি বিভাগের উপসহকারী শেখ জামাল উদ্দিন বলেন, ‘চাষিরা আমাদের পাতাপচা ও ছত্রাক রোগ সম্পর্কে কিছু জানাননি।’ টেকনাফ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা মো শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘এটি ছত্রাক আক্রান্ত রোগ, যা নিয়ন্ত্রণ করা খুবই সহজ।

Source: Prothom-alo:http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-07-25/news/276638