Coastal news

0 125

Pic-2_indexDate: February 15, 2017
COAST, in technical assistance by Department of Fisheries (DoF) and WorldFish has organized a day long workshop on “Adaptive Co-management for Hilsa Conservation” under Enhanced Coastal Fisheries in Bangladesh (ECOFISH-Bangladesh) on February 15, 2017 at the conference room of Deputy Commissioner Office, Bhola. Md. Selim Uddin, Deputy Commissioner (DC), Bhola, was present as a Chief Guest. Md. Bazlur Rashid (Deputy Director, DoF, Barisal), Professor Dr. M.A. Wahab (Project Leader, ECOFISHBD), Lieutenant Commander, Sajjad Hossain, Coast Guard and Dr. M.G. Mustafa (IR Scientist, WorldFish) were present in the program as special guests. Research Associate M Eftakharul Islam was the key noted presenter of the workshop. The program was chaired by Md. Rezaul Karim, District Fisheries Officer, Bhola. Different union chairmen, fishermen leaders, hilsa ghat leaders, boat fishers and representatives from Bhola Sadar Upazila were present in the program and they gave their constructive opinions. Beneficiaries of ECOFISHBD project expressed their gratitude and valuable suggestions, which might be helpful for the practical implementation of the workshop outputs. The program was moderated by Sanat Kumar Bhowmik, Director, COAST Trust.
Md. Rezaul Karim, DFO, Bhola expressed that the livelihoods of near about 1.5 million people livelihood depend on hilsa in Bangladesh. According to him, ECOFISH-Bangladesh has a co-management project which involves relevant stakeholders. He praising COAST said that they-have been successfully implementing ECOFISHBD activities. However, he argued that hilsa management would not be successful only with law enforcement. The direct resource user community especially hilsa fisher must be involved for its management. Lieutenant Commander, Sajjad Hossain, Coast Guard, mentioned the importance of hilsa in fisheries sector. He also expressed that we are working together for hilsa conservation.
Fisher group leader, Mr. Nurul Islam urged that thesre should be some fund from Climate Change Trust Fund as the fishers are also the victim of climate change.
Chief Guest, Md. Selim Uddin, Deputy Commissioner, Bhola emphasized on public awareness, value of our aquatic resources specially hilsa. He also suggested keeping riverine resources as our own and we have to protect it together. Moreover, he indicated that government has to provide cash by bank account instead of rice. The amount of cash must be paid through personal account of fishers. According to Professor Dr. M.A. Wahab (Project Leader, ECOFISHBD), we have created a hilsa conservation fund of BDT 3.5 crore and we also expect your contribution here. Mr. Md. Bazlur Rashid (Deputy Director, DoF, Barisal) mentioned the progress of ongoing registration program for real fishers. According to his speech, present government ensured a project of one BDT 1000.00 crore and another project of BDT 2000.00 crore by the World Bank only for the development of coastal and marine fisheries. He also talked about a research vessel, recently arrived in Bangladesh from Malaysia, and is used for the exploration of marine resources of the Bay of Bengal. After having a successful program, all participants agreed that it is not possible to sustain our vast resources only by the government alone. We need cooperation; we need to follow co-management approach. Finally the present participants urged the following demands to the Deputy Commissioner. i) registration of real fishers, ii) no lease the water body to the political persons, iii) strong protection of political persons who catch fish during the ban period.
[Press release English]
Photos

Pic-2 Pic-3
 Pic-1

News link

Ajker Bhola Barishal Somai
Biplobi Bangladesh Dakkhiner Mukh
Dakkinonchal Jugantor
Poribarton Prothom Sokal
Sotto Sanbad  Ajker Khobor
 Banglanews 24  Barishal Bani
 Bhola report  Bholar alo
 Lalmohon News  Shadin Bangla

0 294

প্রায় দুই মাস চলে গেলেও ভোলার প্রায় ৫০ হাজার জেলে এখনো বিশেষ ভিজিএফের চাল পাননি। বেশির ভাগ ইউপি চেয়ারম্যান বলছেন, সপ্তাহ খানেক আগে তাঁরা সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরির নির্দেশনা পেয়েছেন। তাই এত অল্প সময়ে তালিকা তৈরি করা সম্ভব হয়নি।
আর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) বলছেন, গত মাসের শেষের দিকে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর পরই তাঁরা তালিকা তৈরির নির্দেশনা ইউপি চেয়ারম্যানদের দিয়েছেন।
জেলা মত্স্য কর্মকর্তা প্রীতিশ কুমার মল্লিক বলেন, ইলিশ-জাটকাসহ অন্যান্য মাছের পোনা রক্ষার জন্য ভোলার ১৯০ কিলোমিটার নদীতে (মেঘনা-তেঁতুলিয়া) দুই মাস (মার্চ-এপ্রিল) জাল ফেলা নিষিদ্ধ। এতে জেলার সাতটি উপজেলার ৮৯ হাজার জেলে বেকার হয়ে পড়েছেন। মত্স্য সম্পদ অধিদপ্তর জেলার ৪৭ হাজার ৪৩৯ জন জেলের পরিবারকে ভিজিএফের মাধ্যমে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চার মাসে (ফেব্রুয়ারি-মে) ১২০ কেজি চাল দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুবোধ কুমার হাওলাদার বলেন, ‘জেলেদের চাল দেওয়ার মন্ত্রণালয়ের চিঠিটি আমাদের হাতে ২০ ফেব্রুয়ারি পৌঁছেছে। এরপর জেলেদের ওই চাল বিতরণের ব্যবস্থা নিতে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু ইউএনওদের ডিও লেটার (ছাড়পত্র নির্দেশ) না পাওয়ায় চাল সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন খাদ্য কর্মকর্তা বলেন, কয়েক মাসের চাল একত্র হলে চেয়ারম্যানদের চাল বাইরে বিক্রি করতে সুবিধা হয়। এ জন্য চেয়ারম্যানেরা ইচ্ছে করে বিলম্ব করছেন।
তজুমদ্দিন স্লুইসগেট মাছঘাটের রফিকুল ইসলাম, আবদুল গণি মাঝি, লালমোহন বাত্তির খালের আমির হোসেন মাঝি, বোরহান উদ্দিনের গঙ্গাপুরের বাকের মাঝি, সদর উপজেলার রাজাপুর চডারমাথা মাছঘাটের ইয়াছিন মাঝিসহ অনেক জেলে বলেন, বেশির ভাগ জেলেই বর্তমানে বেকার। তাঁদের চাল দেওয়ার কথা থাকলেও চেয়ারম্যান-মেম্বাররা এখনো চাল দেননি।
সদর উপজেলার রাজাপুর ইউপির চেয়ারম্যান রেজাউল হক বলেন, তাঁকে উপজেলা পরিষদ থেকে সপ্তাহ খানেক আগে তালিকা দিতে বলা হয়েছে। তাঁর ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা চার হাজারের বেশি। এরা ত্রাণ পাওয়ার উপযুক্ত। এর মধ্যে দুই হাজার ২৬১ জনকে বাছাই করতে হবে। সরকারের উচিত ছিল তালিকা তৈরির জন্য ডিসেম্বর থেকে কাজ শুরু করা। তাহলে ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে জেলেদের ঘরে চাল পৌঁছে দেওয়া সম্ভব ছিল।
দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউপির চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন হাওলাদার, তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউপির চেয়ারম্যান ফখরুল আলম, চরফ্যাশনের কুকরি-মুকরি ইউপির চেয়ারম্যান হাশেম মহাজনসহ বেশির ভাগ ইউপির চেয়ারম্যানেরা একই রকম বক্তব্য দিয়েছেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউপির চেয়ারম্যান মহিবুল্যাহ মিয়া বলেন, তাঁরা তালিকা করার ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না পাওয়ায় তালিকা করতে পারেননি।
লালমোহনের ইউএনও জাকির হোসেন ও উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বলেন, জেলেদের তালিকা তৈরি হয়েছে এবং চাল তোলার ছাড়পত্রও পাওয়া গেছে। ২২-২৩ মার্চ সাংসদ নুরুন্নবী চৌধুরী আসবেন। তিনি এসে চাল বিতরণের উদ্বোধন করবেন। অন্য ইউএনওরা বলেন, চেয়ারম্যানেরা জেলেদের তালিকা দিতে বিলম্ব হওয়ায় ভিজিএফের চালের ছাড়পত্র দেওয়া যাচ্ছে না।
জেলা প্রশাসক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা ফেরুয়ারিতে চাল দেওয়ার জন্যই চেয়ারম্যানদের তালিকা দিতে বলেছি। চেয়ারম্যানরা তালিকা দিতে বিলম্ব করায় জেলেরা চাল পাচ্ছে না।’

Source:Prothom-alo:http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-03-20/news/337941

0 396

Many areas in Bhola are flooded

Water contaminant diseases break out. People who are fasting in Ramadan are suffering.

Download the report with picture from here (pdf).

0 353

পরিবেশ
কীটনাশকের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে
ইউরোপীয় ইউনিয়ন আগামী জুলাই নাগাদ মেৌমাছির জন্য ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত কীটনাশক ফসলি জমির কীটপতঙ্গ দমনে ব্যবহার নিষদ্ধি করতে যাচ্ছে। সূর্যমুখী, সরিষা, ভুট্টাসহ যেসব ফসলের ফুল মেৌমাছি আকর্ষণ করে, সেসব ফসলের জমিতে ব্যবহার করা কীটনাশক মেৌমাছির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হ্রাসের জন্য দায়ী। গত বছরের মার্চে পরিচালিত গবেষণায় নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়ার পর এ বছরের জানুয়ারিতে ইউরোপীয় খাদ্যনিরাপত্তা কতর্ৃপক্ষ বিশ্বে ব্যাপকভাবে ব্যবহূত তিন ধরনের কীটনাশক ফুলের মধু খাওয়া মেৌমাছির জন্য Èঅগ্রহণযোগ্য মাত্রায় বিপজ্জনক’ ঘোষণা করে। নিষদ্ধি হলে খ্যাতনামা তিনটি বহুজাতিক ও কীটনাশক উৎপাদনকারী কোম্পানির ওই কীটনাশক ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৫টি দেশে ব্যবহার আপাতত বন্ধ থাকবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অধিকাংশ সদস্যরাষ্ট্র অনুমোদন দিলে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ প্রস্তাবটি আইন হিসেবে অন্তভর্ুক্ত হবে। জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্র এমন নিষেধাজ্ঞার প্রশ্নে দ্বিধাগ্রস্ত হলেও ব্রাসেলসে ২২ লাখ মানুষ গণস্বাক্ষর দিয়ে মেৌমাছির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর কীটনাশক নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে। মেৌমাছি ফুলের পরাগায়নের মাধ্যমে ফসল উৎপাদনে যে প্রয়োজনীয় সহায়তা করে, কীটনাশক উৎপাদন ও বিপণন ব্যবসায় জড়িত কোম্পানির মুনাফার স্বার্থে তাকে ধ্বংস করতে দেওয়া চলে না। ইউরোপের অনেকের মতো পূর্ব ইংল্যান্ডের গ্রিন পার্টির কিথ টেইলর তাই সনে্তাষের সঙ্গে এ প্রস্তাব সমর্থন করেছেন।
পৃথিবীজুড়ে কীটনাশকের ব্যবহার এবং এর মারাত্মক পরিবেশগত বিপর্যয় নিয়ে মানুষ শঙ্কিত। এ নিয়ে ১৯৬২ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত রাচেল কারসনের Èসাইলেন্ট স্প্রিং’ মার্কিন মুলুকে যে হইচই ফেলেছিল, পরবর্তীকালে বিশ্বজুড়ে পরিবেশ আন্দোলনকে তা কেবল আলোড়িত করেনি; বরং আধুনিক পরিবেশ আন্দোলনের গতিমুখও ঘুরিয়ে দিয়েছে। রাচেল কারসেন তথ্য ও বিশে্লষণে মূলত দেখিয়েছেন, পাখিদের ওপর ডিডিটিসহ ক্ষতিকর কীটনাশকের মারাত্মক প্রভাব কতটা বিস্তৃত ও বিধ্বংসী হতে পারে। অনিয়নি্ত্রত কীটনাশকের ব্যবহার কেবল পশুপাখি নয়, মানুষের জন্যও যে মারাত্মক বিপর্যয়ের কারণ হয়, তা এখন প্রমাণিত। রাচেল কারসনের Èসাইলেন্ট স্প্রিং’ ১৯৭০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ডিডিটি নিষদ্ধি করার পটভূমি রচনা করেছিল। কৃষিতে কীটপতঙ্গ দমন ও মশাসহ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী বিভিন্ন কীটপতঙ্গ দমনে ব্যবহূত হলেও ডিডিটি বিশ্বজুড়ে সেই ধারাবাহিকতায় প্রায় নিষদ্ধি। মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক নিষদ্ধি করে Èস্টকহোম কনভেনশন’ প্রণীত হয়েছে এবং বিশ্বের অধিকাংশ দেশ তাতে স্বাক্ষর করেছে।
বিরোধীরা অবশ্য কীটনাশক নিষদ্ধি করার বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করছেন। রাচেল কারসেনের সমালোচকদের দৃষ্টিতে তঁার লেখায় তথ্যের চেয়ে আবেগ বেশি। পরিবেশ ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের বরাতে ১৮ নভেম্বর ২০১২ লন্ডনের অবজারভার পত্রিকা লিখেছে, শক্তিশালী কীটনাশক নিষদ্ধি করলে যুক্তরাজ্যে ইঁদুরের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটবে। বৈশ্বিক উষ্ঞায়নের পটভূমিতে পৃথিবীজুড়ে আবার প্রাণঘাতী ম্যালেরিয়া ছড়িয়ে পড়ার বিপদ দেখা দেওয়ায় মশা দমনে ডিডিটি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার কথা আলোচনায় ফিরে এসেছে। ১৯৩০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রসহ পৃথিবীজুড়ে ম্যালেরিয়ার বাহক মশা দমনে জমে থাকা জল ও বদ্ধ জলাশয়ে ডিডিটি ছিটিয়ে কার্যকরভাবে ম্যালেরিয়া দমন করা হয়। ভারতে ১৯৫০ সালে ম্যালেরিয়ার আক্রমণে বছরে প্রায় আট লাখ মানুষের মৃতু্য হয়; ডিডিটি ব্যবহার করে ১৯৬০ সালে এ সংখ্যা প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছিল। এখনো ভারত, চীন ও মেক্সিকোতে মশা দমনে ডিডিটি ব্যবহূত হয় এবং ভারত ও চীন ডিডিটি উৎপাদন করে। ২০০৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার নডুমো শহরে ব্যাপকভাবে ম্যালেরিয়া ছড়িয়ে পড়লে বাড়ি বাড়ি ডিডিটি ছিটিয়ে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ডিডিটি মশার বিরুদ্ধে প্রমাণিত প্রতিষেধক এবং তা সস্তা। একটি বাড়ি ও তার চেৌহদ্দিতে মশা দমনে ডিডিটি ব্যবহারে ব্যয় হয় প্রায় ১ দশমিক ৬ থেকে ৮ ডলার, কিন্তু এর বিকল্প প্রতিষেধক ব্যবহার করলে ব্যয় হয় প্রায় ৪ দশমিক ২ থেকে ২৪ ডলার। ২০০৬ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উন্নয়নশীল দেশ, বিশেষত আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চলে ম্যালেরিয়া দমনে সস্তা কিন্তু কার্যকর প্রতিষেধক হিসেবে ডিডিটি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে।
বিশ্বজুড়ে কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব প্রবল আলোড়ন তোলার পটভূমিতে জিন প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন ফসল উদ্ভাবনে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি হয়। মনসান্টোর মতো বড় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান কৃষকের জন্য কীটনাশক ব্যবহারের Èঝামেলামুক্ত’ অর্থকরী ফসলের বীজ উদ্ভাবন এবং তা বাজারজাতে ব্যাপক উদ্যোগও নেয়। কিন্তু সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে মনসান্টোর দাবির যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গবেষক ও ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর সাসটেইনিং অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড ন্যাচারাল রিসোর্স সেন্টারের অধ্যাপক চাক বেনব্রুক এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইউরোপ জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধে মনসান্টোর দাবি করা সয়া, ভুট্টা ও তুলা উৎপাদনের জন্য বর্ধিত পরিমাণে বিষাক্ত আগাছানাশক ব্যবহারের প্রমাণ তুলে ধরেছেন। এ পটভূমিতে কীটপতঙ্গ ও আগাছা দমনে বিষাক্ত রাসায়নিক ও কীটনাশকের ব্যবহার ভবিষ্যতে বাড়তে পারে বলে লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকায় ৩ অক্টোবর ২০১২ প্রকাশিত এক নিবন্ধে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
কিছুদিন আগে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের পরিচালিত এক গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী ধান, আলু, বেগুন, পাতাকপি, আখ ও আমচাষিদের প্রায় ৪৭ শতাংশ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার করে। মাত্র ৪ শতাংশ কৃষক বিষাক্ত কীটনাশক ব্যবহারের জন্য আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ পেলেও ৮৭ শতাংশ কৃষক কীটনাশক ছিটানোর সময় কোনো প্রতিরোধব্যবস্থা নেন না বলে স্বীকার করেছেন। ফলে কৃষকের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ∏উভয়ই প্রতিনিয়ত বাড়তি ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে। অবশ্য লন্ডন থেকে প্রকাশিত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩-এর অবজারভার পত্রিকার নিবন্ধের দাবি অনুযায়ী, ভারতের বিহারের নালন্দা জেলার দরবেশপুর গ্রামের কৃষকেরা স্বল্প পরিমাণ বীজ, পানি, রাসায়নিক ও কীটনাশক ব্যবহার করে একরপ্রতি ২২ দশমিক ৪ টন ধান উৎপাদনের যে বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন, তাতে আমরা আশায় বুক বঁাধতেই পারি।
ড. মুশফিকুর রহমান: খনি প্রকেৌশলী। জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক লেখক।

source:http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-02-20/news/330460

0 443

Rapid erosion and rising sea levels are increasingly threatening the existence of islands off the coast of Bangladesh and India
Share 239
john_vidal_140x140John Vidal in Cox’s Bazar
guardian.co.uk, Tuesday 29 January 2013 12.12 GMT
Jump to comments (110)
The island of Kutubdia in the Bay of BengalDisappearing world … a project for climate refugees near Cox’s Bazar, as people have been forced from islands such as Kutubdia in the Bay of Bengal. Photograph: Salman Saeed

Schoolteacher Nurul Hashem lives in a grass hut set among coconut palms and pine trees, yards from a pristine beach on the sparkling Bay of Bengal. It sounds idyllic, but he longs to return to the island of Kutubdia, 50 miles away, where his family home has been swallowed by ever-rising tides and is now out at sea under several feet of water.

To make matters worse, the local government, which welcomed him when he arrived three years ago, wants him and thousands of other families who have fled to the coast from the island, to make way for an airport and hotel developments.

Kutubdia is one of many islands off Bangladesh and India affected by increasingly rapid erosion and some of the fastest recorded sea-level rises in the world. These “vanishing islands” are shrinking dramatically. Kutubdia has halved in size in 20 years, to about 100 sq km. Since 1991 six villages on the island of fishermen and salt workers have been swamped and about 40,000 people have fled. Like Hashem, most have relocated to the coast near Cox’s Bazar.

“The sea water is rising every day,” says Hashem, who calls himself a climate refugee.

“We lost everything. We are not happy, because we must move again. Climate change is making thousands of people homeless.”
KutubdiaKutubdia’s cyclone shelter, which doubles up as a school. Photograph: Salman Saeed

The 80,000 people left on Kutubdia all expect to follow Hashem. “The land here used to be 1km out to sea,” says Mohamed Rashed from the village of Qumira Char. “We lost mosques, a school, shops, farms. We are scared of the sea now. Gradually it comes closer to our homes. When we sleep, we are scared. Every year the tide rises more and comes in further. Next year this village may not exist.”

Rashed moved his house on to a new three-metre high concrete embankment in 2008, but the high tides and tidal surges now top the barrier.

“God knows how long this village will last. If it gets worse I will have to go to the mainland. We know the end is coming,” says fisherman Jakir Hossain.

At the current rate of erosion Kutubdia will be off the map within 30 years, along with dozens of other coastal islands. Sandwip, near Chittagong, covered 600 sq km 50 years ago. It is now a tenth of the size, its area having halved over the past 20 years alone. Further north along the Bay of Bengal, 12 islands – home to 70,000 people – are said by the Bangladeshi government to be “immediately threatened” by the rising seas; 90 others in Indian waters, collectively housing more than 4 million people, are said to be at real risk. Sagar island is expected to lose at least 15% of its area in the next eight years, and may yet suffer the same fate that befell the island of Lohachara, which in December 2006 became the first inhabited island known to be lost to rising sea levels.
Climate refugees from KutubdiaA fishing village on Kutubdia island. Photograph: Salman Saeed

Scientists attribute the disappearance of these islands to a combination of natural and possibly manmade events. The villagers say they are victims of climate change, but there is no reliable sea-level data in Bangladesh. However, sea surface temperatures in the Bay of Bengal have significantly increased, which could theoretically have caused the expansion of water. In addition, more intense cyclones and higher tides have also been observed, while increased flows from some of the giant rivers that flow into the Bay of Bengal may also be contributing.

“There is a close correlation between the rate of sea-level rise and the sea surface temperature,” says Sugata Hazra, head of oceanography at Kolkata’s Jadavpur University.

No scientific monitoring of sea-level rise has been done on Kutubdia, but increases of nearly 8mm a year have been recorded over 20 years at Cox’s Bazar. This is nearly three times the average for Bangladesh and up to five times the worldwide average sea-level rise.

“Land has always been lost to erosion in the Bay of Bengal, but this is now becoming exacerbated,” says Saleemul Huq, senior fellow at the International Institute for Environment and Development in London.

“There has been a step change in the numbers who have had to move and the rate of erosion is higher than in the past. Whether it is climate change is not clear, but this can be seen as the beginning of a trend which is expected to grow exponentially.” .

Predicted sea-level rises of up to a metre over the next century would inundate the homes of millions of people. At the present rate of 8mm a year it may only take about 25 years to raise levels 20cm, enough to permanently waterlog and destroy the land and drinking water of as many as 10 million people in the south of the country. A one-metre rise along the only partly defended 450 mile (720km) Bangladeshi coastline would result in nearly 20% of the country being submerged and 30 million more people being displaced. A recent report prepared by Jadavpur University and the World Wide Fund For Nature (WWF) estimates that a million of the 5 million people living in the delta will become climate change refugees by 2050.

“We are staring catastrophe in the face,” says Moqbul Ahmed, team leader with Coast, a social group working with climate-affected communities and refugees on Kutubdia and elsewhere. “They lose everything they have and they cannot recover when their land is washed away. They have no option but to migrate from the islands but they have no money, and when they leave they have no schools or hospitals. They have no work and no future.”

On Kutubdia, islanders say they do not need scientists to tell them that the annual sea-level rise is far more than 8mm. “We reckon its twice that at least,” says Hashem. “The sea used to be much further away. We had to move our houses 300 yards in 2008, but the water now comes to the house. We have nowhere left to go. If we had any money we would go to Cox’s Bazar or Chittagong. All we can do is fish. We cannot protect ourselves. So we stay. Our life is with the sea.”

Source:The Guardian: http://www.guardian.co.uk/global-development/2013/jan/29/sea-change-bay-bengal-vanishing-islands

0 386

A national consultation process on the International Guidelines for Small-scale Fisheries (IGSSF) of the Food and Agriculture Organization of the United Nations (FAO) was recently organized in Dhaka, Bangladesh. The Coastal Association for Social Transformation Trust (COAST) organized the consultation to gather recommendations from stakeholders on the proposed guidelines. The International Fund for Agricultural Development (IFAD) provided financial support, while the International Collective in Support of Fishworkers (ICSF) rendered various resource services.

Please see the article [COAST article] , [Full Report]

RANDOM POSTS